STV NEWS জলঢাকায় সড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের - STV NEWS

জলঢাকায় সড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের


ডেস্ক রিপোর্ট জুন ১৯, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ন
জলঢাকায় সড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের

মোঃনুরুজ্জামান নীলফামারীপ্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা পৌর শহর যেন এক অপরিকল্পিত ও অবরুদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের চেনা দৃশ্য এখন একটাই তীব্র যানজট আর সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি।​সড়কের মাঝেই বাস স্ট্যান্ড!

​সরেজমিনে দেখা যায়, জলঢাকা বাস স্ট্যান্ডে নির্ধারিত স্টপেজ থাকার পরও চালকরা নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না। মূল রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে প্রথম বাসটি দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলছে। তার ঠিক পেছনে অর্ধেক রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে গেছে দ্বিতীয় বাসটি। এর দেখাদেখি আরও কয়েকটি বাস পুরো রাস্তাটিকেই ব্লক করে দিচ্ছে। ফলে জলঢাকা বাস স্ট্যান্ড থেকে জিরো পয়েন্ট এবং ডালিয়া রোড পর্যন্ত পুরো এলাকা স্থবির হয়ে পড়ছে।
​ভোগান্তির নেপথ্যে অপরিকল্পিত পার্কিং
​শুধু দূরপাল্লার বাসই নয়, শহরজুড়ে চলছে থ্রি-হুইলার ও ভারী যানবাহনের দাপট। প্রধান সড়কগুলোর মাঝখানেই রিকশা, অটো ভ্যান ও ইজিবাইক থামিয়ে যাত্রী তোলা হচ্ছে। যেখানে-সেখানে ট্রাক পার্কিংয়ের কারণে সড়কগুলো আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোনো শৃঙ্খলা না থাকায় পুরো পৌর শহরই এখন যানজটের নগরী।
​আটকা পড়ছে অ্যাম্বুলেন্সও
​সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, পেছনে আটকে থাকা সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না ঠিক কী কারণে তারা জ্যামে বসে আছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই কৃত্রিম জ্যামে প্রতিদিন আটকা পড়ছে জরুরি মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স। পেছনের গাড়িতে কারও জরুরি পরীক্ষা, চাকরির ইন্টারভিউ কিংবা জীবনের বড় কোনো তাড়া থাকতে পারে—সেদিকে চালকদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। অ্যাম্বুলেন্স এলেও কেউ রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার ন্যূনতম মানবিকতা দেখাচ্ছে না।
​সুশাসনের অভাব ও দাবি
​এটি কোনো এক বা দুই দিনের ঘটনা নয়, জলঢাকাবাসীর নিত্যদিনের নিয়তি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পৌর শহরকে বাঁচাতে হলে এখনই কঠোর ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করতে হবে। যত্রতত্র বাস ও অটো পার্কিং বন্ধ করে চালকদের শাস্তির আওতায় না আনলে এই ভোগান্তি থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি নেই।