STV NEWS কৈমারীতে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক সংস্কারে স্বেচ্ছাশ্রমে নবজাগরণ সোসাইটি, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে এলাকাবাসী ও প্রার্থীদের সহযোগিতায় গর্ত ভরাটের কাজ শুরু - STV NEWS

কৈমারীতে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক সংস্কারে স্বেচ্ছাশ্রমে নবজাগরণ সোসাইটি, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে এলাকাবাসী ও প্রার্থীদের সহযোগিতায় গর্ত ভরাটের কাজ শুরু


ডেস্ক রিপোর্ট সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ন
কৈমারীতে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক সংস্কারে স্বেচ্ছাশ্রমে নবজাগরণ সোসাইটি, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে এলাকাবাসী ও প্রার্থীদের সহযোগিতায় গর্ত ভরাটের কাজ শুরু

মোঃ রাজু মিয়া সোহাগ,ডেক্স রিপোর্টার:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দিঘিরপাড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে যাওয়া ও বড় বড় গর্তে পরিণত হওয়া কৈমারী–বড়ভিটা–জলঢাকা প্রধান সড়কের একটি অংশ সংস্কারে স্বেচ্ছাশ্রমে এগিয়ে এসেছে কৈমারী নবজাগরণ সোসাইটি। সংগঠনের সদস্যদের উদ্যোগে এবং এলাকাবাসী ও স্থানীয় নির্বাচনী প্রার্থীদের সহযোগিতায় শনিবার সকাল ১০টায় সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশে গর্ত ভরাট ও সংস্কারকাজ শুরু হয়।

সংস্কারকাজে সংগঠনের সদস্যরা নিজেরাই শ্রম দিয়ে গর্তগুলো ভরাট করছেন। তাদের এ উদ্যোগে আর্থিক ও শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ কয়েকজন নির্বাচনী প্রার্থী। এ সময় কৈমারী ইউনিয়নের ৫ ,নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম সংস্কারকাজে সহযোগিতা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৈমারী নবজাগরণ সোসাইটির সভাপতি ইমদাদুল হক মানিক, সহ-সভাপতি সাইদুল ও স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, STYDO-এর চেয়ারপারসন সোহেল রানা, সাংবাদিক রাজু মিয়া সোহাগসহ সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

কৈমারী নবজাগরণ সোসাইটির সদস্যরা জানান, কৈমারী থেকে বড়ভিটা ও জলঢাকায় যাতায়াতের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির দিঘিরপাড় এলাকার একটি অংশ ভাঙাচোরা ও বড় গর্তে পরিণত হওয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

তারা আরও জানান, সড়কের ব্রিজের পাশে থাকা একটি বড় বটগাছ প্রায় সাত বছর আগে উপড়ে পড়ে যায়। এতে ওই স্থানে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়। সময়ের সঙ্গে গর্তটি আরও গভীর ও প্রশস্ত হয়ে ওঠায় সেখানে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

সংগঠনের সদস্যরা বলেন, “দিনের পর দিন এই সড়কে দুর্ঘটনা ও মানুষের দুর্ভোগ চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই কারও অপেক্ষায় না থেকে আমরা নিজেরাই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের উদ্যোগ দেখে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কয়েকজন প্রার্থী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।”

তাদের দাবি, আপাতত স্বেচ্ছাশ্রম ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় গর্তগুলো ভরাট করা হলেও সড়কটির স্থায়ী সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হলে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ কমবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে আসবে।