STV NEWS শিক্ষকের বি/রু/দ্ধে শিশুকে ব/লা/ৎ/কা/রে/র চেষ্টা, কা/রা/গা/রে প্রেরণ।  - STV NEWS

শিক্ষকের বি/রু/দ্ধে শিশুকে ব/লা/ৎ/কা/রে/র চেষ্টা, কা/রা/গা/রে প্রেরণ। 


ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিক্ষকের বি/রু/দ্ধে শিশুকে ব/লা/ৎ/কা/রে/র চেষ্টা, কা/রা/গা/রে প্রেরণ। 

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১১) বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোহাম্মদ মারুফ (২২) চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হিরাপুর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে। তিনি উপজেলার একটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিও একই মাদরাসার শিক্ষার্থী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সেহরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফ ভুক্তভোগী ছাত্রকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পরে তাকে বলাৎকারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পর শিশুটি তার পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। বিষয়টি জানার পর পরিবারের সদস্যরা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে নোয়াখালীর সুধারাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক মারুফকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।