

কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ
বিদ্যালয়ে দেরিতে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করায় প্রধান শিক্ষক বলেন আমিও সাংবাদিক।আমারো সাংবাদিকের কার্ড আছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচারে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ; ও একজন গ্রেফতার,এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচণ্ডী ইউনিয়নের কিসামত রণচণ্ডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়মিত দেরিতে বিদ্যালয়ে আসা এবং অনুমতি ছাড়াই অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে গত ৭ ই জুন ২০২৬ ইং রোজঃরবিবার।
স্থানীয় সাংবাদিক সাহেব আলী এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিজেও সাংবাদিক এবং তার সাংবাদিক পরিচয়পত্র রয়েছে বলে দাবি করেন। এ সময় সরকারি চাকরিজীবী হয়ে সাংবাদিকতা করা কতটা বিধিসম্মত—এ নিয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে দেরিতে আসা ও নির্ধারিত সময় অনুসরণ না করার কারণ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও মানুষ দেখানোর জন্য সময় মেনে অফিস পরিচালনা করেন। কিছুদিন পর আবার আগের মতোই হবে।” তার এমন মন্তব্য নিয়েও এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক সাহেব আলীকে আটক করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পরে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি নিয়ে কিশোরগঞ্জজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
তবে এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের বক্তব্য বা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :