STV NEWS নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ: লিখিত কৈফিয়ত দিলেন সহকারী শিক্ষক - STV NEWS

নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ: লিখিত কৈফিয়ত দিলেন সহকারী শিক্ষক


ডেস্ক রিপোর্ট জুলাই ৩০, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ন
নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ: লিখিত কৈফিয়ত দিলেন সহকারী শিক্ষক

মো. সাহেব আলী, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বদি বড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ করার ঘটনায় লিখিত কৈফিয়ত জমা দিয়েছেন। তবে ওই ব্যাখ্যার পরও ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. মোস্তাকিনা আক্তার বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে আগেভাগে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা (কৈফিয়ত) চায়।
লিখিত জবাবে মোস্তাকিনা আক্তার উল্লেখ করেন, সেদিন তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমানকে বিষয়টি জানিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। ঠিক ওই সময় বিদ্যালয়ে সিডিয়া কর্মীরা পরিদর্শনে আসেন। অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য তিনি প্রথমবারের মতো প্রধান শিক্ষকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে বিবেচনার অনুরোধ জানান।
তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনরত কোনো শিক্ষক নির্ধারিত সময়ের আগে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করলে তা সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষক লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অন্যদিকে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকে এখন অভিভাবক ও এলাকাবাসীর নজর।