মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টার
খুব অল্প সময়ে এবং অল্প বয়সেই মানবতার ডাকে, মানবতার কল্যাণে, আর্তমানবতার সেবা ও কল্যাণে সাড়া দিয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেন মো উস্তাদ সুলতান নাঈম বিন ইসলাম।গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী থেকে পরিচালিত করে আসছেন দেশ জুড়ে কল্যাণ ও সেবার সার্বিক কার্যক্রম। ২০১৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে তার এই কার্যক্রম দেশ জুড়ে এক অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন। তিনি অল্প সময়ের মধ্যে অল্প বয়সেই মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। একাধারে তিনি একজন হাফেজ, আলেম, দাঈ, শিক্ষক, ইসলামি গবেষক, সংগীত শিল্পী, সংগঠক, মোটিভেশনাল স্পিকার, প্রতিবাদী কণ্ঠ, লেখক, সমাজ সেবক এবং হাজারো মানুষের আশার আলো মানবতার ফেরিওয়ালা।তিনি সারা দেশে অপহরণ, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মাদক বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। অসংখ্য যুব সমাজের আইডল। তিনি দেশের অবহেলিত, বঞ্চিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অধিকার হারা, ধর্ষিত, বিধবা, ইয়াতিম ও দুস্থ মানুষের আশার আলোর প্রদীপ। তিনি দিন রাত অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।হলি ম্যারেজ মিডিয়ার মাধ্যমে সঠিক পাত্র পাত্রী খুঁজে দেওয়ার মাধ্যমে ১০০ বেশি বিবাহ সম্পূর্ন করেছেন। ধর্ষিত মেয়েদের বিবাহের ব্যবস্থা করেছেন। বিধবা নারীদের বিবাহের ব্যবস্থা করেছেন। অসুন্দর ও বয়স্ক নারী পুরুষ এবং অবহেলিত দুস্থ নারী-পুরুষের বিবাহের ব্যবস্থা করেছেন। অসংখ্য অমুসলিমকে কালিমা পড়িয়ে ইসলামের পতাকা তলে নিয়ে এসেছেন। নওমুসলিমদের বাসস্থান ও তাদের কর্মের সুব্যবস্থা করেছেন। আইনী সহযোগিতা করেছেন। বিভিন্ন সময় যৌক্তিক আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেছেন।অসংখ্য বিপথগামী ও নেশায় আসক্ত যুব সমাজকে বিভিন্ন সেমিনার আয়োজন করে সুপথে ফিরিয়ে এনেছেন। পতিতা বৃত্তি করা নারীদের সুপথে ফিরিয়ে এনে বিবাহ দিয়ে সংসার জীবন দিয়েছেন। তিনি ইসলামি শরীয়াহ আইন, ইসলামি খিলাফাহ, পবিত্র কোরআনের আইন বাস্তবায়নের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। অসংখ্য অসুস্থ রোগীদের সহযোগিতা করেন। বেদে পল্লীর অবহেলিত জীবন পরিবর্তনে কাজ করেন। বেদে পল্লীর ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার সুব্যবস্থা করেন।দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, বিপথগামী, বেকার ও আত্মহত্যা করতে যাওয়া গোষ্ঠীকে হতাশার জীবন থেকে ফিরিয়ে এনে ইসলামের ছায়া তলে নিয়ে এসেছেন।মানুষ হয়ে মানুষের জীবন ধ্বংস করা নরপশু, হায়েনা, পিশাচ কালো জাদুর চক্র থেকে পবিত্র কোরআনের মাধ্যমে সেবা / চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। হাজার হাজার মানুষের সমস্যা রুকিয়ার মাধ্যমে সমাধান করে দেন।দেশের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ, কৃত্রিম দূর্যোগ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সড়ক দূর্ঘটনা ও দুস্থ এবং অসহায় মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে থাকেন।তিনি জীবনের শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত জান ও মাল দিয়ে মানবতার কল্যাণে, ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যেতে চান।